সরকারি চাকরিজীবীদের বহু প্রতীক্ষিত নবম পে স্কেল ঘোষণার লক্ষ্যে স্থগিত হওয়া পূর্ণ কমিশনের সভার নতুন তারিখ চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে কমিশনের সভাকক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় শুরু হতে যাওয়া এই সভায় বর্তমান বেতন কাঠামোর গ্রেড সংখ্যা পুনর্বিন্যাসসহ অন্যান্য অমীমাংসিত বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। কমিশনের লক্ষ্য হচ্ছে একটি বাস্তবসম্মত ও যুগোপযোগী সুপারিশমালা প্রণয়ন করা।
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সরকারি কর্মচারীদের বেতন গ্রেড নিয়ে সদস্যদের মধ্যে প্রধানত দুটি মতধারা কাজ করছে। কমিশনের একদল সদস্য মনে করেন, বিদ্যমান ২০টি গ্রেড সংখ্যা অপরিবর্তিত রেখে কেবল যৌক্তিক হারে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশ করা উচিত।
অন্য একটি পক্ষ বর্তমান ২০টি গ্রেডকে কমিয়ে ১৬টিতে নামিয়ে আনার পক্ষে জোরালো মত দিয়েছেন। তাদের মতে, এতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমবে এবং বেতন বৈষম্য নিরসন সহজ হবে।
জাতীয় বেতন কমিশন (পে কমিশন) ইতোমধ্যে বিভিন্ন সংস্থা ও পেশাজীবী সংগঠন থেকে প্রাপ্ত প্রস্তাবনাগুলো চুলচেরা বিশ্লেষণ করেছে। প্রতিবেদন তৈরির কাজও এখন শেষ পর্যায়ে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে সুপারিশমালা সরকারের কাছে জমা দেওয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই নতুন পে স্কেল কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের, যাতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে এর সুফল পৌঁছানো যায়।
বৃহস্পতিবারের সভায় পূর্ণ একমত হওয়ার পর সুপারিশ জমা দেওয়ার চূড়ান্ত দিনক্ষণ নির্ধারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


